Welcome to my short story world. My story can change your thoughts. Find yourself in my story. Welcome all dear friends.
Sunday, August 28, 2022
FORMAL LOVE IN UNFORMAL PLACE
Thursday, September 17, 2020
দাদুর বলা গল্পঃ
তারপদ দাদুর গল্পঃ
অবিভক্ত বাংলায় তখন জমিদারি শাস্বন চলত । তিন জমিদার এর সন্তান সদেবেন সরকার, রাজারাম, শিশির গাঙ্গুলী এরা শৈশবকাল থেকেই খুব ভালো বন্ধু । তারা ধীরে ধীরে বড়ো হয়ে ওঠে । দেবেন সরকার ও শিশির গাঙ্গুলী দুজনেই বিয়ে করে নেয় । কিন্তু রাজারাম বিয়ে করে না । দু'বছর এর মধ্যে দেবেন সরকার এর একটি সুন্দর ছেলে ও শিশির গাঙ্গুলীর একটি সুন্দরী মেয়ে হয় । রাজারাম এই দুই শিশুর বিয়ে পাকা করে রাখে। ছোট বেলায় শিশির তার মেয়েকে বিলেতে পাঠায় । সবাই খুব খুশীতেই দিন কাঁটাচ্ছিলো, একদিন রাজারাম মারা যায়। মৃত্যু আগে তার জমিদারি দেবেন এর হাতে দিয়ে গ্রামের লোকজনের জন্য কিছু করতে বলছিল। দেবেন সরকার তার বাড়িটা বাদে তার ও রাজারাম এর সব সম্পত্তি দিয়ে গ্রামের লোকের জন্য বড় একটা হাসপাতাল তৈরি করেন । হাসপাতাল টির নাম দেয় '' রাজারাম হাসপাতাল'' ।
আশেপাশের গ্রামের লোকজন ও খুব খূশী হয় । সবাই সুখেই ছিল একদিন এই সব খুশী হারিয়ে গেল । এক ঝড়ো দিনে শিশির গাঙ্গুলী ও দেবেন সরকার এর বজ্রাঘাত এ মৃত্যু হয় । খবর পেয়ে লক্ষী বিলেত থেকে বাড়ি আসে ।
ওদিকে দেবেন সরকার এর ছেলে নিখিল একা হয়ে পড়ে ।
নিখিল মা , তার স্বামীর মৃত্যুর কথা শুনে প্রবল ভাবে অশূস্থ হয়ে তিন দিন পর মারা যায় । নিখিল ও লক্ষী তাদের বিয়ে
হওয়ার শর্ত জানত । কিন্তু তারা বড় খুব একটা বড় হয়ে ওঠে নি । তাই লক্ষ্মীকে আবার বিলেতে পাঠানো হয় উচ্চ শিক্ষার জন্য । অন্য দিকে নিখিল তার অবশিষ্ট সম্পত্তি বিক্রি করে বিলেতে চলে যায় । তারপর নিখিল এর ব্যাপারে কোন খবর পাইনি গ্রামের লোকজন । ৮ বছর পর লক্ষ্মী গ্রামে একটা স্কুল খোলে ও ওখানেই বাচ্চাদের পড়িয়ে দিন কাটায় । লক্ষ্মীর ২২ বছর বয়স এখনো সে বিয়ে করে নি ।কারন নিখিল এর কোন খোঁজ ছিল না। গ্রামে হাসপাতাল থাকলেও ভালো ডাক্তার ছিল না । দেবেন নামে এক সুদর্শন যুবক লক্ষ্মীর মায়ের কাছে হাসপাতালে ডাক্তারি চাকরির জন্য আসে । লক্ষ্মীর মা ভাবলো এই যুবক খুব সুন্দর ও তার
মেয়ে তো সুন্দরী কোন ভাবে যদি এদের বিয়ে দেওয়া যায় । এটা ভেবেই তিনি দেবেন কে ওনার বাড়িতেই রাখে ও চাকরিটা পাকা করে দেয় । দেবেন তৈরি হয়ে হাসপাতালে যাবে তখনই লক্ষ্মীর সাথে দেখা । দুজনি একেঅপরের দিকে কিছুক্ষন একনজরে তাকিয়েই থাকল । লক্ষ্মীর মা ব্যাপার টা দেখে খুব খুশি হয়। তিনি বলেন দেবেন একজন ডাক্তার আজি আমাদের হাসপাতালে চাকরি নিয়েছে । তোমার সাথেই নিয়ে যাও । লক্ষ্মী রাজি হল ও দুজনি নিয়মিত একসাথে আসে যায় । দেবেন কিছু দিনের মধ্যেই প্রচুর নাম অর্জন করে । দূর দূর থেকে অসুস্থ মানুষ "রাজারাম হাসপাতাল'' আসে । সবাই সুস্থ হয়েই বাড়িতে ফিরত । এক বছরের মধ্যেই দেবেন সম্পূর্ন দেশের মধ্যে সব থেকে বড় ডাক্তার হয়ে ওঠে । আর " রাজারাম হাসপাতাল'' এর নাম পুরো দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে । বিলেত থেকে বড় বড় ডাক্তার "রাজারাম হাসপাতাল'' কে পুরস্কৃত করতে আসে । তারা ঠিক করে রাজারাম এর জন্ম তারিখ এ আনুষ্ঠানিক ভাবে পুরস্কৃত করবে । ডাক্তারদের লক্ষ্মী দের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করা হল । দেবেন অন্যান্য হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করার জন্য লক্ষ্মী দের বাড়ি আসতে পারে নি । দেবেন ঠিক করে অনুষ্ঠানের দিন আসবে। অন্য দিকে বিলেতের ডাক্তাররা একটা ঘরে দেবেন এর ছবি দেখে, লক্ষ্মী ও তার মাকে জিজ্ঞেস করে ওটা কার ছবি দুজনেই বল ওটা আমাদের ডাক্তার দেবেন এর ছবি । লক্ষ্মী ওনাদের বিস্ময় দেখে জিজ্ঞেস করে আপনারা কি ওনাকে চেনেন । সবাই হ্যা কিন্তু দেবেন কে না ওনার মতোই দেখতে যার খ্যাতি পুরো ইংল্যান্ড এ ছড়িয়ে আছে । বিখ্যাত ডাক্তার হিসেবে । তিনি ওই অল্প বয়সেই সব ডাক্তারদের থেকে শ্রেয় হয়ে ওঠে। তিনি চিকিৎসা করতেন না । বড় বড় ডাক্তারদের শিখাতেন । অনেক দিন তার কোনো খবর নেই ।
ওই ডাক্তারের কথা শুনে লক্ষ্মী ও তার মায়ের ও একটু ভালো লাগলো ।এ কয়েক দিন ডাক্তাররা গ্রামের পরিবেশ অনুভব করল । রাজারাম এর জন্ম দিবস এ দেবেন অনুষ্ঠিত মঞে উপস্থিত হয় ।মঞে উপস্থিত সব বড় ডাক্তাররা দেবেন কে স্যার বলে সম্বোধন করে আপ্যায়ন করে । ডাক্তারদের বিষ্ময় দেখে সবাই বিষ্মীত । বিখ্যাত নিউরোলজিস্ট মিস্টার জন দেবেন এর বন্ধু । তিনি রাজারাম এর সমন্ধে কিছু কথা বলে ।সবার কৌতূহল দেখে তিনি দেবেন এর ব্যাপারে বলেন যে দেবেন তার বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছে। কিন্তু তিনি এখনো তার বাবার একটা স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি । ওনার বাবা চেয়েছিলেন যে আপনাদের লক্ষ্মীর সাথে ওনার বিয়ে হোক । আপনারা কিছুই বুঝতে পারলে না তো । দেবেন আর কেউ না আপনাদের দেবেন সরকার এর ছেলে নিখিল সরকার । এটা শুনে লক্ষ্মী অঙ্গান । তিনি বলেন নিখিল এর বাবা চেয়েছিলেন গ্রামে ভালো হাসপাতাল হোক । হাসপাতাল হলেও এখানে ভালো ডাক্তার রেখে যেতে পারেন নি । তাই তিনি বিলেতে গিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে ইংল্যান্ড তথা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ডাক্তার হয়ে ওঠে । নিখিল লক্ষ্মীকে বিয়ে করতে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা বদলাতে এখানে আসে । কিন্তু তিনি সবার কাছে তার বাবার নাম দেবেন হিসেবে পরিচিত
হওয়ায় । আমারাও ওনার খবর জানতে পারিনি যেমন আপনারাও চিনতে পারেন নি। লক্ষ্মীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । ঙ্গান আসতেই নিখিলের দিকে রাগ মুখে তাকালেও কিছুদিনের মধ্যেই তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে লোকজন এর উপকার করে শান্তিতে জীবন অতিবাহিত করেন।
সুজন বারুই
Wednesday, July 29, 2020
অনুভব থেকে একটা মেয়ে
পথিক-" না না কখনোই একা চলতে চাই নি কিন্তু এই সব কিছু যার উদাহরণ তুমি দিলে অতীত বলতে পারবে তুমি আমার সেই আত্মীয় যে আমায় চোখে হারাও সেই দিনগুলো তে কোথায় ছিলে তুমি যেই সময় আমি পথ হারিয়ে ফেলেছিলাম বারবার তোমার কাছে গেছি সাহায্য চাইতে পথ দেখিয়ে দিবে এই আশায় সেদিন তুমি খুব ব্যস্ত খুবই ব্যস্ত, অতীত তুমি আমার সেই বন্ধু যেই বন্ধু সাথে কত কথা বলেছি শুধু সেই মুহূর্ত পর্যন্ত যতক্ষণ না পর্যন্ত তুমি নতুন কোনো বন্ধু পেয়ে যাওনি কথা বলার জন্য, আর তুমি আমার সেই প্রতিবেশী যে বারবার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছো কিন্তু শুধু নাম আর অন্যের চোখে বড় হওয়ার জন্য কিন্তু যেই কাজে তুমি নিজের স্বার্থ খুঁজে পাওনি সেই কাজ তুমি করোনি, আর তুমি সেই অচেনা মানুষদের কথা বলছ যারা সব সময় আমায় আনন্দ দিয়েছে কিন্তু তারা তো অচেনা সব সময় তাদের খুঁজেও পাওয়া যায় না, হ্যাঁ আমি স্বার্থপর কিন্তু বলতে পারবে আমায় স্বার্থপর তুমি করনি তুমি করেছো কী স্বার্থপর আমায়????ভেবে দেখো তো;"।
অতীত -"রাম রাম রাম আমি তোমায় স্বার্থপর করেছি কি বলছ তুমি বরংচ ভবিষ্যতের কথা ভেবে স্বার্থপর হয়েছে।"
পথিকের আরেকটা পা চেপে ধরল ভবিষ্যৎ ।
ভবিষ্যৎ - " আমি কখনো পথিক কে স্বার্থপর করিনি আমিতো শুধু স্বপ্ন দেখেছিলাম শুধু স্বপ্ন দেখিয়েছি।" অতীত -" আর সেই স্বপ্ন সত্যি করতে তো পথিক স্বার্থপর হয়েছে একলা চলছে চাইছে আজ।" ভবিষ্যৎ- " আমিও বলিনি একলা চলতে বরংচ আমি বারবার ভাবিয়েছে একলা চলো না হে পথিক পথে অনেক বাঁধা যেই বাঁধা পার করা তোমার কর্ম নয়।" অতীত - "এখন বললেই হল তুমি ওকে স্বার্থপর করেছ।"
ভবিষ্যৎ-" না না তুমি করেছ।"
অতীত - "না তুমি।"
ভবিষ্যৎ- "না তুমি।"
পথিক - " থাম থাম থাম আমায় কে করেছে স্বার্থপর সেটা বিচার করতে হবে না , আমি কি করেছি আর কি করতে চলছি সেটা নিয়ে ভাবতে হবে না, আমার পা দুটো ছাড়ো, আর যে সমস্ত পথিকরা কারো সঙ্গে চলছে তারাও হয়তো একদিন একলা চলেছে বা হয়তো কোন সময় একলা চলতে হবে ; এই সমস্ত কোন কিছুই আর ভাবতে চাইনা শুধু এইটুকু জানি একলা চলতে হবে অনেকটা দূর কি করেছি কি করছি কিছু ভাবতে চাই না শুধু চলতে চাই বহুদূর বহুদূর .....
"যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে
তবে একলা চলো রে ..
তবে একলা চলো, একলা চলো,
একলা চলো, একলা চলো রে।
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে
তবে একলা চলো রে।"
Thursday, April 30, 2020
এক নতুন ভালোবাসার গল্পে আমার সাথে সোহিনী
আমার, সাথে সোহিনী
পাঠ-১
প্রথম দেখা হয় মুভির-লাভসিন এর মতোই , নদীর মাঝে । আমি একটা বোটে আর ও অন্য আরেকটি বোটে । আমি টিউশন থেকে বাড়ি ফিরছিলাম আর লাভলি স্কুল যাচ্ছিল । এই দেখাটা হয়েছিল ক্লাস 11 এর লাস্টে দিকে । কিন্তু আমি ওর সমন্ধে অনেক আগে থেকেই অনেক কিছু শুনতাম আমার বন্ধু আয়ুশ এর কাছ থেকে । শুধু সোহিনী না পায়েল এর ব্যাপারেও । রাহুল এর মতে - সোহিনী পড়ালেখায় ভালো একটু বেশি মুখস্ত করে, বাংলা টা একটু বেশি পড়ে, সামান্য রাগি,আর সামান্য একটু ঘ্যাম দেখায় আরো কতকিছু । পায়েল লেখাপড়ায় ভালো, মেধাবী, খুব শান্ত আর খুব সুন্দরী । সবাই ওদের চেনে শুধু আমি বাদে । এভাবেই না চিনেই কেটে যায় কয়েক বছর । বন্ধুদের কাছে ওদের গল্প শুনি তাই চেনার ইচ্ছেটা বাড়ে । আর একদিন দেখাও হল আমার এক বন্ধুর সহযোগিতায় আমার বন্ধু বলল ওই দেখ সোহিনী যাচ্ছে । আমি ওর দিকে তাকিয়ে দেখলাম ও হালকা ঘ্যাম এর সাথে বোটের এক নজরে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে । ওদের স্কুলে ড্রেসটা ছিল খুব সুন্দর । আগমনীর সাজ ফুটে উঠেছিল । তখন এই সিনটা এতো রোমান্টিক লাগেনি । তারপর আবার কয়েক বছর পর । আমি পায়েল এর সাথে দেখা করতে অনেক বেশি ইচ্ছুক হয়েছিলাম । কারন আমি মনে মনে ওকে পছন্দ করতাম । পৃথা একদিন আমাকে ইনভাইট করে আমি আমার এক বন্ধুকে নিয়ে যাই সেখানে, পায়েলও আসবে জানতাম তাই বেশি আগ্রহের সাথে রেস্টুরেন্ট এ পৌঁছাই । সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল ওরা আমাকে পায়েল এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিল পৃথা । সবাই একসাথে বিরিয়ানী খেলাম একটা ছবি তুললাম তারপর বাড়ি চলে আসি । পৃথা হোয়াটসঅ্যাপ এ একটা গ্রুপ বানাল শুধুই বন্ধু ওখানে সোহিনী , আমি আর পৃথা ছিলাম । পায়েল ফোন ব্যবহার করত না । গ্রুপে ম্যাসেজ করতে করতে সোহিনী ও ভালো বন্ধু হয়ে গেল । দুজনকেই জানাই যে আমি পায়েল কে ভালবাসি । কিছুদিন পর মুম্বাই যাই পৃথার সাথে মাঝে মাঝে কথা হত আর সোহিনীর সাথে একটু কম । পৃথাকে অনেক বছর আগে থেকেই জানতাম ওর বাবা আমদের স্যার, টিউশন পড়তে যেতাম । ও তখন কথা কম বলত ওর দিদি আমাদের সাথে বেশি ফ্রেন্ডলি ছিল । মাধ্যমিক এর পর থেকে একটুখানি কথাটা বাড়ে আর ফ্রেন্ডশিপ ও বড়ে । ওর সাহায্যেই মাঝে মাঝে পায়েল এর সাথে কথা বলতে পারতাম । আমি পায়েলকে সিরিয়াসলী ভালোবাসি সেটা ওরা অনুভব করে আমায় জানায় ও আগে থেকেই অন্য কারো সঙ্গে প্রেম করে। মাধ্যমিক এর পর আন্নেসা পাইন (মাধ্যমিক স্টেট টপার) এর ছবি ওয়ালপেপার হিসেবে ব্যবহার করতাম তারপর পায়েল (উচ্চমাধ্যমিক এলাকার টপার ) এর ছবি কিছুদিন রাখার পর বুঝলাম যে পায়েলও , অন্নেসার মতোই আমার নয় অন্য কারো । মুম্বাই থেকে বাড়ি ফেরার কয়েক দিন পর আমার এক বেস্ট ফ্রেন্ড এর দিদির বিয়েতে পায়েল , সোহিনী, পৃথা আরো কয়েকজন নাম না জানা ফ্রেন্ড আসে । আমার তো পায়েল এর দিকে তাকিয়ে থাকা উচিত ছিল ওর দিকে একবার তাকিয়ে ছিলাম কিন্তু কিছু মনে হয়নি । কিন্তু সোহিনীর দিকে তাকিয়ে আমার হার্ট-বিট বেড়ে যায় যার জন্য ওর সাথে কথাও বলতে পারিনি ।পরে মাঝে মাঝে আমি সোহিনী কে দেখতাম দূর থেকে কিন্তু সামনাসামনি কথা বলতে ভয় পেতাম । পায়েল কে টপিক করে ম্যাসেজ এ ভালোই কথা বলতাম কিন্তু ও কাছে এলেই হার্টবিট বেড়ে যেত । তখন এই নতুন অনুভূতির কোনো নাম আমি খুঁজে পায়নি। পায়েল একটা ফোন ব্যবহার করা শুরু করে । মাঝে মাঝে আমিও ওকে ম্যাসেজ করতাম । আমি সকালে ম্যাসেজ করলে ওর রিপ্লাই আসতো রাতে। তাই ওকে সেলিব্রেটি,ব্যাস্ত মানুষ বোঝাতে আমি ওকে বোলেছিলাম - তোর সাথে একটা ছবি তোলার ইচ্ছে হচ্ছে । কিছু রচনা দ্বারা আমায় অভদ্র করল । হয়তো পৃথাও তাই আমার সাথে কথা বলে না । হয়তো আমার সবাইকে সত্যি কথা বলা উচিত ছিল যে - পায়েল এর প্রেম করার কথা জানার পর ওর প্রতি লাভ ফিলিং , ফ্রেন্ডশিপ এ পরিনত হয়েছিল । অন্য দিকে আমি সোহিনী কে অনেক কিছু বলার পরও ও আমাকে ভুল বোঝেনি ওর মধ্যের উদারতায় আমাকে ওর প্রতি ভাবতে বাধ্য করে । ধিরে ধিরে ওর সততা , উদাসিন মনোভাব, বিশ্বাস, উদারতা,ওর মনের পবিত্রতা দেখে আমি অন্য সব ভুলে ওকে ভালোবেসেফেলি । আগে সময় পেলেই মুভি দেখতাম কিন্তু এরপর থেকে ওর সমস্ত ছবিগুলো আমার হৃদয় এ সঞ্চয় করতে শুরু করলাম । ওর ছবি দেখে ওর উপস্থিতি অনুভব করতাম । আমার কাছে ভাবার মত কিছুই ছিল না আগে । ওকে ভালোবেসে আমি নিজেকে ওর সাথে স্বপ্নের জগতে খুঁজে পেতাম । আর দিন ভর তো ওকে নিয়ে ভাবার সময় এর অভাব ছিল না । মনের মধ্যে নতুন নতুন অনুভূতি অনুভব করতাম । ওকে দূর থেকে ভালোবাসেও আমি খুব আনন্দ পেতাম । আমি ভেবেছিলাম আমি ওকে কোনদিনও জানাবো না যে আমি ওকে ভালবাসি। তাই অনেকদিন ফ্রেন্ড হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপ এ ছিলাম । তারপর একদিন আমি ওকে বোলেই ফেলি যে আমি ওকে ভালবাসি । তারপর কয়েকদিন আমি আমার ফোন সুইচ অফ করে রেখেছিলাম কারন ওকে যে খুব ভয় পেতাম ।
তারপর কয়েকদিন পর রিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে গিয়েছিলাম ভিশন মজা করেছিলাম । আসার সময় পার্ক এর পিছন দিয়ে আসছিলাম । জায়গাটা সোহিনীদের বাড়ির পাশেই । ঠিক পার্ক এর পাশে আসতেই আমি সোহিনী কে আর পৃথাকে দেখে 8টার সময় 12টা অনুভব করলাম । আমায় ভালো ভাবে দাঁড়াতে বললো । আমি ভাবলাম হয়তো ও আমাকে বোঝানোর জন্য দাঁড়াতে বলছে । আমি সাইকেল টা রেখে দাঁড়ালাম । সোহিনী আমার সার্ট এর কলার ধরে দুই চড় মারল ,আর রাস্তা থেকে একটু পাশে টেনে নিয়ে এল । আমি আমার ডান হাত দিয়ে ওর বাঁহাত টা ধরলাম যেটা দিয়ে আমর কলার ধরেছিল ।আর আমার বাঁহাত দিয়ে ওর ডান ধরলাম যাতে আর চড় না মারে । ও ভিষন রেগে ছিল তাই কান্না করতে করতে আমায় বলেই যাচ্ছে- ও আমার কাছে এটা এক্সপেক্ট করেনি, আমার সাহস কি করে হয় আরো কতকিছু। আমরা দুজনেই ঘামিয়ে গিয়েছিলাম । আর ওর চোখের জলে আর ঘামে ভিজে গঙ্গা স্নান হয়েগিয়েছিল । আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না ।ভয়ে আমার হার্টবিট বেড়ে যায় দপদপ শব্দ হচ্ছিল । ও আমার কাছে এলেই হার্টবিট বেড়ে যায় । এখন নতুন অনুভূতির সাথেই, ও আমার কাছেই ছিলো , আরো কছে টেনে নিয়ে ছোট্ট কিস করে জড়িয়ে ধরে বললাম আমি তোকে ভিষন ভালবাসি । আমি তোকে ছাড়া থাকতে পারবো না । এতক্ষণ সোহিনী বলছিল কিন্তু এবার ও চুপচাপ । এবার পৃথা বলছে কিরে কেউ এসে যাবে ছাড় বাড়ি চল ।ওদিন সোহিনী আর কিছু বলল না ।পৃথা বলল বাড়ি যা আমি সরি বলে সোহিনীর চোখে একবার চোখ রেখে চোলে আসি । আমি ওই রাতে ঘুমাতে পারিনি । আমি সারা রাত শুধু ওর কথাই ভাবলাম । যদিও এটা আগেও করতাম কিন্তু এই রোমান্টিক ভয়ঙ্কর ঘটনাতো আগে ঘটেনি । অনেক রাততো হার্টবিট নরমাল করতেই চলে যায় । সকাল 9 টায় একটা ভুতের স্বপ্নের (একটা অদৃশ্য শক্তি আমাকে আকাশের দিকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে ।) সাথে ঘুম ভাঙ্গে ।
পাঠ -২
আমি অনেকটা ভয় আর কৌতূহল নিয়ে সেই স্বপ্ন দেখে উঠি। মনের মধ্যে একটা জিনিস চলতে থাকে কী হবে এরপর সব ঠিক হবে তো নাকি ভুল করলাম একটা অনেক বড় ভুল ওকে এমনভাবে বলা তারপর কিস করা যাইহোক এই সবের মধ্যে আমার কাছে একটা এসএমএস আসে আমি অবাক এটা সোহিনীর এসএমএস "দেখে করা যায় কি " বিকেল ৫.৩০ একই যাইগা । প্রথমে খুব ভয় হলো সঙ্গে একটা চাপা উত্তেজনা কী বলবে যাবো যদি হিতে বিপরীত কিছু হয় । যাই হোক যা হবার হবে তাই অনেকটা সাহস নিয়ে গেলাম দেখলাম ও একটা বেঞ্চের উপর বসে আমি প্রস্তুত ছিলাম আমার আরেকটা গালে চর খাওয়ার জন্য কিন্তু সেটা ঘটল না সেদিনকে সোহিনী আজকের মধ্যে অনেকটা পার্থক্য শান্তশিষ্ট আমি পাশে গিয়ে বসলাম তখন আমায় জিজ্ঞাসা করল কালকে ওটা কি ছিল আমি ইতস্তত ভাবে কথা আটকে যাচ্ছে যেন আমার মনে হয় কিছুই বলতে পারছি না শুধু বললাম ক্ষমা করে দিস ওইভাবে কিছুই বলিনি আর জানি তোর আমায় না ভালো লাগতে পারে কিন্তু আমার যা মনে হয়েছে আমি তাই করেছি। এই শুনে সোহিনী হাসলো আর বলল দেখ একটা জিনিস বলে ব্যাগের ভেতর থেকে একটা খাম বের করল এটা ছিল কলকাতায় কলেজের এডমিশন এর একটা নোটিশ আমায় বলল দেখ কিছুদিনের মধ্যে আমি চলে যাচ্ছি আমার আকাশ সম্পূর্ণ আলাদা তোর আকাশ সম্পূর্ণ আলাদা আর সেখানে দুটো পাখি একে অপরের থেকে এতটা বিপরীত হয়ে কিভাবে থাকতে পারে একসাথে। আমি অবাক হব, কান্না করব ,উৎসাহিত হব, নাকি অন্য কিছু কিছুই বুঝতে পারছিনা। শুধু তোরে বললাম হুম। সোহিনী তারপর ওর স্বপ্নের কথা জীবনে কিছু করার কথা আমার সাথে শেয়ার করলো আমিও শুনলাম। কিন্তু আমি বুঝতে পারলাম না কি বলতে চাইল আস্তে আস্তে চারিদিকে অন্ধকার নেমে আসলো মনে হয় বৃষ্টি হবে সোহিনী থেকে বলল বাড়ি যাওয়ার সময় হয়ে গেছে আমি যাচ্ছি। আমি অবাক হয়ে কিছুই বুঝতে পারলাম না শুধু বললাম হুম। তারপরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হল সোহিনী চলতে শুরু করলো আমিও চলতে শুরু করলাম কিন্তু দুই জন দুই আলাদা রাস্তায় কিছুটা তো যাওয়ার পর আমি চিৎকার করে ডাকি সোহিনী সোন ও ফিরে তাকালো বৃষ্টি পাই জোরে জোরে পড়া শুরু করেছে আমি বললাম একটাই লাস্ট প্রশ্ন "তুই কি আমাকে ভালোবাসিস ?" তারপর জোরে বৃষ্টি শুরু সোহিনী দৌড়ে চলে যায় আর আমি সেই বৃষ্টির মধ্যে আমার হাজারো মনের প্রশ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। এত প্রশ্ন আমায় জ্বালাতন করছিল আমি বাড়ি চলে আসি সঙ্গে বৃষ্টিতে ভিজে জ্বরও
পাঠ -৩
Upcoming
Thursday, April 9, 2020
Why should you feel bad????????
ভালোবাসার খোঁজে একটা মেয়ে
ভালোবাসার খোজে একটা মেয়ে
একটি মেয়ে খুব সাধারন খুব সাধারন । মেয়েটি ছোটবেলা থেকেই কর্মস্থ হওয়ার স্বপ্ন দেখতো, স্বপ্ন দেখতো আকাশ ছোঁয়ার । জীবনে অনেক বড় হয়ে , ছোট ছোট ইচ্ছে গুলো পূরণ করার স্বপ্ন দেখতো । তার বাবা মার স্বপ্ন পূরণ করার কথা ভাবত। আর ছোট ছোট অনাথ বাচ্চাদের, মানুষের মত মানুষ করার জন্য কিছু একটা করতে চাইত। সে তার জন্য কঠোর পরিশ্রম করত, কিন্তু সে একটু আলস টাইপের মেয়ে ছিল জীবনে অনেক বার হেরেছে অনেকবার জিতেছে । এত বড় স্বপ্ন নিয়ে এইভাবে তার জীবন চলছে । ঠিক এমন চলতে চলতে একদিন সে বড় হল । ছোট থেকেই ভালোবাসা- প্রেম এসব এর প্রতি তেমন বিশ্বাস ছিল না।ওর বন্ধু-বান্ধবিরা সব সময় বলত দেখিস তুই ও কাউকে না কাউকে ভালোবাসবি ।কেউ না কেউ তোর জন্য অপেক্ষা করছে । কিন্তু সে বলত না ওই আশা আমি করি না । আমি এমনিতেই অনেক ভালোই জীবন যাপন করছি। অনেকবার অনেকে ছেলে তাকে অনেক কিছু বলেছে কিন্তু সে কখনো কারো কথায় পাত্তা দেয়নি । ওর এসব প্রেম-ভালোবাসার জন্য সময় ছিল না । একদিন হঠাৎ তার বাড়িতে একটা চিঠি আসে চিঠিটি অন্য জায়গার ঠিকানার ছিল, ভুল করে চলে এসেছিল তার বাড়িতে। যদিও লোকের চিঠি পড়া উচিত নয় । কিন্তু ওই সরল চঞ্চল মন ওটা পড়ল । একটা লাভ লেটার সে যে মেয়েটিকে এই লেটার লিখছে তাকে এই লেটার এ প্রপোজ করেছে । মেয়েটির চঞ্চল মন তাই সে চিঠির উত্তরে আর একটা চিঠি লেখে । এইভাবে চলতে থাকে চিঠির কথোপকথন। মেয়েটি জানতো না চিঠির ওপারে কি রয়েছে অপর পক্ষ থেকেও চিঠির এপারের মানুষটাকে জানতো না,এপারে কে আছে ।ওরা চিঠি থেকে হোয়াটসঅ্যাপ এ যোগাযোগ শুরু করে কিন্তু কোন ছবি শেয়ার করে না দুজনে। ওদের মধ্যে একটা সম্পর্ক ওদেরকে আবদ্ধ করেছিল সেটা হল গান এই গানের মাধ্যমে ওদের কথোপকথন চলতে থাকে । যে মেয়েটা বিশ্বাস করত না ভালোবাসা আছে সে মেয়েটা বিশ্বাস করতে শুরু করে ভালোবাসা আছে । কারণ চিঠির উত্তর এত সুন্দর আসত অপর পক্ষের মানুষটাও ঠিক সুন্দরভাবে বোঝাত ভালোবাসার বিষয়ে । মেয়েটাও ধিরে ধিরে ভালোবাসা অনুভব করতে শেখে আর ওই অজানা লোকটিকে ভালোবেসে ফেলে । কিন্তু মেয়েটা একটা ভুল করেছিল সে চিঠি লিখত কিন্তু বলতে ভুলেই যায় অপর পক্ষের মানুষটাকে, যে চিঠিটা ভুল করে তার বাড়িতে চলে এসেছে । অপর পক্ষের মানুষটি কিন্তু আশায় অন্যজনকে নিয়ে ঘর বেঁধে চিঠিটা লিখেছে । হঠাৎ করে একদিন তাদের দেখা করার কথা হয় তখন মেয়েটার খুব ভয় লাগে যে সে তো বলতেই ভুলে গেছে সে,, সেই মেয়েটি নয় যাকে অ জো যেপরপক্ষে মানুষটা ভেবে চিঠি লিখছে এইভাবে তাদের দেখা করার দিন আসলো মেয়েটা খুব ভয় পেয়ে গেল ভাবল যাওয়া উচিত কি উচিত না। কিন্তু সাহস নিয়ে গেল ওই দিক থেকে অপর প্রান্তের মানুষটিও আসলো সেই মানুষটি তাকে চিনতে পারল না। মেয়েটিও সেই মানুষটাকে চিনতে পারল না কারণ তার লেখার সাথে তার ব্যক্তিত্ব মিলছিল না । আর ওইদিকে অপরপ্রান্তের মানুষটি তাকে অন্য কেউ ভেবে চিঠি লিখেছে। যখন সে সামনে আসলো তখন দুজনের যে কথোপকথন হল তাতে অনেকটা অসঙ্গতি লক্ষ করা গেল অনেকটা ভুল অনেকটা পার্থক্য লক্ষ্য করা গেল। মেয়েটি বাড়ি চলে আসলো মেয়েটি বুঝল চিঠির মাধ্যমে কথোপকথন আর সামনাসামনি দেখা দুটো আলাদা সম্পূর্ণ আলাদা । অপরপ্রান্ত থেকে চিঠি আসা বন্ধ হয়ে গেল ।শুধু উত্তর এসেছিল আমি যাকে চিঠি লিখেছিলাম সে অনেক সুন্দরী ছিল অনেক সুন্দরী। বাস্তবে সুন্দরী নয় অন্য একটা জঘন্য মেয়ে। এই শুনে মেয়েটারও মন ভেঙে গিয়েছিল সে অনেকবার চিঠির উত্তর দেবে ভেবেছিল। অনেক ক্ষোভ ,অনেক রাগ থাকা সত্ত্বেও এমন কথার পরিবর্তে মেয়েটি কোন কথা বলেনি মেয়েটি শুধু বলেছিল আচ্ছা আপনি যা চান তাই হবে । এই ঠিকানায় আর চিঠি আসবে না আর এখান থেকে কোন চিঠি যাবেওনা । কিন্তু অপর পক্ষের ব্যক্তিটি হয়তো অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল চিঠি লেখায় তাই মাঝে মাঝে ভুলবশত পাঠিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু মেয়েটা খুব শক্ত হয়ে হাল ধরেছিল। আর উত্তর দেবেনা । এইভাবে সেই সুন্দর নিস্পাপ মেয়েটির ভালবাসত শেষ হয় । ভালোবাসায় ভয় পাওয়া মেয়ে টি ভালোবেসেছিল হ্যাঁ হয়তো ভুল ব্যক্তির সাথে কিন্তু বেসেছিল। ওকে ওর এক বান্ধবী বলেছিল এত সবার মন ভেঙেছিস কাউকে পাত্তা দিসনি তাইতো এমন অবস্থা । মেয়েটি মুচকি হেসেছিল আর বলেছিল নারে সবার জীবনে ভালোবাসা আসে আমার ও এসেছিল কিন্তু ভুল মানুষ ।তাই কি আর করা যাবে 🤷 কিন্তু সেই ভুল মানুষটা তার জীবনে ভালোবাসা জাগিয়েছে ঠিক যেমন, একটা ফুল খুব যত্ন করে মালি তৈরি করে। কিন্তু এটি ব্যবহার করে অন্য কেউ ।ঠিক একইভাবে মেয়েটিকে ভালবাসা শিখিয়েছে একজন ,কিন্তু সেই ভালোবাসার গুরুত্বটা বুঝবে আরেক জন ।সেই মেয়েটি আজও অপেক্ষা করে সেই ভালোবাসার গুরুত্ব বুঝবে এমন মানুষের । যে তার অন্তর্নিহিত সুন্দরতার গুরুত্ব বুঝবে 🙃 এমন চিঠি আসলো না আর ।কিন্তু মেয়েটি এবার আর চিঠি ওয়ালা ভুল কথোপকথন নয় সত্যি কারের পাশাপাশি কথোপকথন এর মানুষ খুঁজছে যে সত্যি কারের ভালবাসবে ।
Monday, April 6, 2020
Badhan's formal love story
Badhan always says our wealth is our people nothing else in conputer .That's why in his desk's is clean .
Oneday
At exactly 9.20 Badhan walked through the doors of the bank. Oh, He was the manager and had worked there for two years. He wasn't always calm and relaxed when he arrived at work but yesterday something had happened to make his life much easier. He looked around the bank. There were beautiful new computers on every desk.
Some were connected to printers, others to scanners. The CPUs were hidden under the desks and the keyboards waited to be used. On each mouse pad was a mouse with a small red light, which lit up when the computer was switched on. Badhan smiled. When he entered his office, he saw that his Beautiful secretary Mimi had already arrived.
"Morning, Badhan sir," she said happily. She was a very nice girl with long, tulips hue did wear, blonde hair and a sweet smile but she wasn't the most efficient secretary in the world.
"Good morning,Mimi. You are looking gorgeous . By the way Are you looking forward to discovering the wonderful things that your new computer can do?"
She looked worried. "Yes, but I hope I don't make too many mistakes. Yesterday I nearly lost some important information because I pressed the wrong key."
"Don't worry. I know you've only been here for six months. Rohit has assured me that we now have the most up-to-date computer hardware and software are the most secure system money can buy.Rohit was the bank's network manager and head of technology. He had organized and set up the new system.At that moment someone knocked on the door and Rohit came in.
"Morning, Badhan sir. How are you?" he said.
"Very well, thank you, Rohit. Now, are you sure the system is functioning properly? Can I go on holiday next week to the Puri without worrying about things back here?"
Rohit smiled. "Things couldn't be better. Our LAN is working perfectly. It is now connected to the bank's WAN and the security access rights are.."Rohit, you know that my knowledge of computers is very limited. I'm afraid I belong to another generation - which is why I pay you to solve our IT problems.IT terms were a foreign language to Badhan. His son Robbie was only 9 but he was already a computer genius and sat in front of his monitor for hours every day. He had no problem logging on and off, surfing the net or downloading files. His father was an excellent bank manager but unfortunately he had no idea what these terms meant. He was grateful for experts like Rohit who could decipher these mysteries for him.
"Don't worry. You can have a wonderful time in the Puri sea beach. Things couldn't be better here," replied Rohit.
He left the office and Sir Badhan sat down at his desk on which there was no computer at all, either new or old.
He was dreaming of blue seas and white beaches when a cry from Mimi's desk brought him back to reality. "Sir Badhan, my computer has crashed!" As soon as she had said the words, they heard similar cries of alarm coming from the bank's main area downstairs.
One by one the computers were crashing... Everyone was trying to reboot but it was very hard . Mimi fall down on the floor by feeling nervous . Rohit took all responsibility . Then Badhan sir took Mimi mam in his arms to hospital . This emotional scene make her fall in love ...
Welcome to my blog
-
চেইতান এর লাভ স্টোরি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড রোমান্টিক সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি দেখতে দেখতে ওর মন প্রেমের প্রতি আকৃষ্ট হয...
-
অনুভব থেকে একটা মেয়ে "যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে"- কী সুন্দর ভাবে রবি ঠাক...


