প্রথম দিল্লি ভ্রমন
প্রথম পছন্দ
30 December 2015 ,7:45 pm কালকা মেইল । আমি হাওড়া স্টেশন এ 1 ঘন্টা আগেই পৌঁছে গেলাম । ট্রেন এ উঠলাম আর আমার উপরের সিটে বসে পড়লাম । আমার নিচের দুটি সিটে একজন দিল্লি ও একজন কানপুর । আমার সামনের তিনটি সিটে এক পাঞ্জাবি পরিবার । আমি ট্রেন ছাড়তেই খাবার টা খেয়ে নিলাম । একটু ঠাণ্ডা ওয়েদার আমাকে বাড়ি থেকে কম্বল নিয়ে আসতে বলেছিল কিন্তু ঠান্ডা তখন বেশি ছিল না ।
পাঞ্জাবি পরিবারের আন্টি খুব ভালো মিসুখে তাই তিনি আমার সাথে পরিচয় করল । তিনি ও তার পরিবার কলকাতায় প্রথম । উনি বাংলা ভাষায় কথা বলতে না পারলেও- তোমার নাম কি, কেমন আছ এসব ছোট ছোট কথা বলতে পারে । ওনার এক মেয়ে ও এক ছেলে । ছেলে ছোট 2বছর বয়স আর মেয়েটি 14 বছর । ওনারা সবাই দেখতে সুন্দর ।
রাত 10 টা আমি শুয়ে পড়লাম । একটু ঠাণ্ডা লাগছিল । কিন্তু কি করব কম্বল আনিনি তাই একটা সার্ট গায়ের উপর দিয়ে শুয়ে পড়লাম । একটু পর আন্টি আমাকে ডাকলো বলল চাদর নিয়ে আসনি । আমি বললাম না ভেবেছিলাম তেমন ঠান্ডা হবে না । আন্টি আমাকে একটা চাদর দিল । যেটা তার মেয়ে এক্সট্রা তার পাশে রেখেছিল । আমি চাদরটা গায়ে জড়িয়ে শুয়ে পড়লাম । রাত 1টা আর ঘুম হচ্ছে না । সায়নি আমার সোজা উপরে শুয়ে আছে ও হ্যা সায়নি আন্টির মেয়ে । দেখতে খুব সুন্দরী আর নম্র তো ছিলই । কেন জানি না আমি সারাটা রাত শুধু ওকে দেখেই গেলাম । আমার তো নেসা হয়ে যায় ওকে দেখার । কিন্তু পর দিন আন্টির ভালো ব্যবহার আমাকে মুগ্ধ করলো । আমি যদিও সায়নি কে লাইক করে ফেলি তবুও বেশি ওর দিকে তাকালাম না দরকার ছাড়া । আন্টি আমাকে ওনার ছেলের মত ,আমার সাথে আচরণ করত ।
11:45 এ পুরান দিল্লি পৌছালাম । এই ভ্রমণে আমার সৃতিতে থেকে গেল সায়নির মুখের ছবি আর ওর পরিবারের পারিবারিক আচরণ ।
ও আমি একাই যাচ্ছিলাম তখন আমার বয়স ছিল 15 ।
sujan Barui
পাঞ্জাবি পরিবারের আন্টি খুব ভালো মিসুখে তাই তিনি আমার সাথে পরিচয় করল । তিনি ও তার পরিবার কলকাতায় প্রথম । উনি বাংলা ভাষায় কথা বলতে না পারলেও- তোমার নাম কি, কেমন আছ এসব ছোট ছোট কথা বলতে পারে । ওনার এক মেয়ে ও এক ছেলে । ছেলে ছোট 2বছর বয়স আর মেয়েটি 14 বছর । ওনারা সবাই দেখতে সুন্দর ।
রাত 10 টা আমি শুয়ে পড়লাম । একটু ঠাণ্ডা লাগছিল । কিন্তু কি করব কম্বল আনিনি তাই একটা সার্ট গায়ের উপর দিয়ে শুয়ে পড়লাম । একটু পর আন্টি আমাকে ডাকলো বলল চাদর নিয়ে আসনি । আমি বললাম না ভেবেছিলাম তেমন ঠান্ডা হবে না । আন্টি আমাকে একটা চাদর দিল । যেটা তার মেয়ে এক্সট্রা তার পাশে রেখেছিল । আমি চাদরটা গায়ে জড়িয়ে শুয়ে পড়লাম । রাত 1টা আর ঘুম হচ্ছে না । সায়নি আমার সোজা উপরে শুয়ে আছে ও হ্যা সায়নি আন্টির মেয়ে । দেখতে খুব সুন্দরী আর নম্র তো ছিলই । কেন জানি না আমি সারাটা রাত শুধু ওকে দেখেই গেলাম । আমার তো নেসা হয়ে যায় ওকে দেখার । কিন্তু পর দিন আন্টির ভালো ব্যবহার আমাকে মুগ্ধ করলো । আমি যদিও সায়নি কে লাইক করে ফেলি তবুও বেশি ওর দিকে তাকালাম না দরকার ছাড়া । আন্টি আমাকে ওনার ছেলের মত ,আমার সাথে আচরণ করত ।
11:45 এ পুরান দিল্লি পৌছালাম । এই ভ্রমণে আমার সৃতিতে থেকে গেল সায়নির মুখের ছবি আর ওর পরিবারের পারিবারিক আচরণ ।
ও আমি একাই যাচ্ছিলাম তখন আমার বয়স ছিল 15 ।
sujan Barui